ভোপাল বিপর্যয়ের স্মৃতি ফিরল ভাইজ্যাগে
![]() |
| ভাইজাগ গ্যাস দুর্ঘটনা ২০২০ |
সরকারি সূত্রে খবর, বিশাখাপত্তনম থেকে ১৪ কিমি দূরে গোপালপটনম এলাকায় কারখানাটি অবস্থিত। লকডাউন এর জেরে বন্ধ কারখানায় মার্চ থেকেই ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ফলে দুটি ৫ টনের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিক করে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার জেরে তাপ উৎপন্ন হওয়াতেই এই দুর্ঘটনা। কারখানাটির মালিকানা রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা এলজি পলিমার এর হাতে। এই কারখানা তৈরি হয় ১৯৬১ সালে এবং ১৯৯৭ সালে কারখানা অধিগ্রহণ করে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থাটি। ভোর রাতে গ্যাস লিক করে তা ছড়িয়ে পড়ে পাঁচ কিমি ব্যাসার্ধ জুড়ে। উদ্ধারকার্যে নামে দমকল পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলার দল। দুপুরের পর রাজ্য পুলিশের ডিজি বলেন, গ্যাস লিক আটকানো গিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।
ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই এস জগমোহন রেডি। মৃতদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি । মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও । ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে টিডিপি সুপ্রিমও তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। কেন্দ্রের কাছে তাঁর দাবি, রাসায়নিক কারখানাটি অবিলম্বে বন্ধ করে দেয়া হোক ।
